রাজপুতদের সঙ্গে যুদ্ধ জয়ে ভারতের যে অংশ মুঘল সাম্রাজ্যভুৱা হয়— 

Updated: 8 months ago
  • ভারতের দক্ষিণ অংশ
  • পূর্ব ভারত
  • সারা উত্তর ভারত
  • আগ্রাসহ পাঞ্জাব
586
ব্যাখ্যাঃ

মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে রাজপুতদের সঙ্গে অসংখ্য যুদ্ধ ও মিত্রতার মাধ্যমে মুঘল সাম্রাজ্য ভারতের একটি বিশাল অংশ জুড়ে বিস্তৃত হয়েছিল। বিশেষ করে রাজপুতদের দুর্গ ও রাজ্যগুলি জয় করার পর বা তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে উত্তর ভারতের এক বিরাট অংশ মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে আসে। এর ফলে মুঘলদের ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ সমগ্র উত্তর ভারতে সুদৃঢ় হয়।

        
  • ভারতের দক্ষিণ অংশ: মুঘলদের দাক্ষিণাত্য অভিযান আকবরের পরবর্তীকালে ঔরঙ্গজেবের সময়কালে বিশেষভাবে গতি লাভ করে। রাজপুত যুদ্ধের মূল প্রভাব ছিল উত্তর ভারতে।
  •     
  • পূর্ব ভারত: পূর্ব ভারত (বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা) জয়ও মুঘল সাম্রাজ্যের সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল, তবে এটি রাজপুত যুদ্ধের সরাসরি ফলাফল ছিল না।
  •     
  • সারা উত্তর ভারত: রাজপুতদের সঙ্গে যুদ্ধ এবং সন্ধি স্থাপনের ফলে রাজস্থান, মালওয়া এবং মধ্য ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়, যা কার্যত সমগ্র উত্তর ভারতে মুঘলদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে। এটিই সবচেয়ে সঠিক ব্যাখ্যা।
  •     
  • আগ্রাসহ পাঞ্জাব: আগ্রা মুঘলদের রাজধানী ছিল এবং পাঞ্জাব ছিল মুঘল সাম্রাজ্যের মূল ভূখণ্ড। রাজপুতদের সঙ্গে যুদ্ধ জয়ের ফলে এই অঞ্চলগুলোর বাইরেও সাম্রাজ্য বিস্তার ঘটে এবং সমগ্র উত্তর ভারতে মুঘল নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী হয়।

সুতরাং, রাজপুতদের সঙ্গে যুদ্ধ জয়ের ফলে ভারতের সারা উত্তর অংশ মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত হয়।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago

পানিপথে হত। দখল করিয়া দিল্লির শাহিগদি, 

          দেখিল বাবুর এ-জয় তাঁহার ফাঁকি, 

ভারত যাদের তাদেরি জিনিতে এখনো রয়েছে বাকি।

      গর্জিয়া উঠিল সংগ্রাম সিং, ‘জিনেছ মুসলমান,

          জয়ী বলিব না এ দেহে রহিতে প্রাণ ।

               লয়ে লুণ্ঠিত ধন

দেশে ফিরে যাও, নতুবা মুঘল, রাজপুতে দাও রণ।'

               খানুয়ার প্রান্তরে

সেই সিংহেরো পতন হইল বীর বাবুরের করে।

এ বিজয় তার স্বপ্ন-অতীত, যেন বা দৈব বলে

সারা উত্তর ভারত আসিল বিজয়ীর করতলে।

কবরে শায়িত কৃতঘ্ন দৌলত,          

          বাবুরের আর নাই কোনো প্রতিরোধ।

দস্যুর মতো তুষ্ট না হয়ে লুণ্ঠিত সম্পদে,

জাঁকিয়া বসেছে মুঘল সিংহ দিল্লির মসনদে। 

মাটির দখলই খাঁটি জয় নয় বুঝেছে বিজয়ী বীর,

বিজিতের হৃদি দখল করিবে এখন করেছে স্থির।

            প্রজারঞ্জনে বাবুর দিয়াছে মন,

হিন্দুর-হৃদি জিনিবার লাগি করিতেছে সুশাসন,

            ধরিয়া ছদ্মবেশ

ঘুরি পথে পথে খুঁজিয়ে প্রজার কোথায় দুঃখ ক্লেশ।

চিতোরের এক তরুণ যোদ্ধা রণবীর চৌহান

             করিতেছে আজি বাবুরের সন্ধান,

কুর্তার তলে কৃপাণ লুকায়ে ঘুরিছে সে পথে পথে

         দেখা যদি তার পায় আজি কোনো মতে

                    লইবে তাহার প্রাণ,

শোণিতে তাহার ক্ষালিত করিবে চিতোরের অপমান। 

                    দাঁড়ায়ে যুবক দিল্লির পথ-পাশে

লক্ষ করিছে জনতার মাঝে কেবা যায় কেবা আসে।

             হেন কালে এক মত্ত হস্তী ছুটিল পথের পরে

                   পথ ছাড়ি সবে পলাইয়া গেল ডরে। 

                         সকলেই গেল সরি

কেবল একটি শিশু রাজপথে রহিল ধুলায় পড়ি।

                       হাতির পায়ের চাপে

'গেল গেল' বলি হায় হায় করি পথিকেরা ভয়ে কাঁপে।

                      ‘কুড়াইয়া আন ওরে’ 

সকলেই বলে অথচ কেহ না আগায় সাহস করে। 

সহসা একটি বিদেশি পুরুষ ভিড় ঠেলে যায় ছুটে, 

‘কর কী কর কী” বলিয়া জনতা চিৎকার করি উঠে।

       করি-শুণ্ডের ঘর্ষণ দেহে সহি

পথের শিশুরে কুড়ায়ে বক্ষে বহি

       ফিরিয়া আসিল বীর।

চারি পাশে তার জমিল লোকের ভিড়।

বলিয়া উঠিল এক জন, 'আরে এ যে মেথরের ছেলে,

ইহার জন্য বে-আকুফ তুমি তাজা প্রাণ দিতে গেলে?

          খুদার দয়ায় পেয়েছ নিজের জান,

    ফেলে দিয়ে ওরে এখন করগে স্নান।'

    শিশুর জননী ছেলে ফিরে পেয়ে বুকে

            বক্ষে চাপিয়া চুমু দেয় তার মুখে।

বিদেশি পুরুষে রাজপুত বীর চিনিল নিকটে এসে,

এ যে বাদশাহ স্বয়ং বাবুর পর্যটকের বেশে।

          ভাবিতে লাগিল, 'হরিতে ইহারই প্রাণ

          পথে পথে আমি করিতেছি সন্ধান?

          বাবুরের পায়ে পড়ি সে তখন লুটে 

কহিল সঁপিয়া গুপ্ত কৃপাণ বাবুরের করপুটে,” 

‘জাঁহাপনা, এই ছুরিখানা দিয়ে আপনার প্রাণবধ 

করিতে আসিয়া একি দেখিলাম! ভারতের রাজপদ 

          সাজে আপনারে, অন্য কারেও নয়। 

বীরভোগ্যা এ বসুধা এ কথা সবাই কয়,

           ভারত-ভূমির যোগ্য পালক যেবা,

তাহারে ছাড়িয়া, এ ভূমি অন্য কাহারে করিবে সেবা?

            কেটেছে আমার প্রতিহিংসার অন্ধ মোহের ঘোর,

                              সঁপিনু জীবন, করুন এখন দণ্ডবিধান মোর।'
            রাজপথ হতে উঠায়ে যুবকটিরে

                                  কহিল বাবুর ধীরে,

‘বড়ই কঠিন জীবন দেওয়া যে জীবন নেওয়ার চেয়ে; 

জান না কি ভাই? ধন্য হলাম আজিকে তোমারে পেয়ে

                         আজি হতে মোর শরীর রক্ষী হও; 

প্রাণ-রক্ষকই হইলে আমার, প্রাণের ঘাতক নও।'

Related Question

View All
  • কবি সম্রাট
  • স্বভাব কবি
  • কবিশেখর
  • জগত্তারিনী
1k
Updated: 3 weeks ago
  • কাব্যগ্রন্থ
  • নাটক
  • উপন্যাস
  • প্রহসন
1.1k
Updated: 1 year ago
  • জসীমউদদীন
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • কালিদাস রায়
  • কাজী নজরুল ইসলাম
791
  • ১৯৭৫
  • ১৯৭৬
  • ১৯৭৭
  • ১৯৭৮
650
  • দৌলত খাঁকে
  • রণবীরকে
  • সংগ্রাম সিংকে
  • ইব্রাহিম লোদিকে
478
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই